শিক্ষা ঐক্য প্রগতি


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড

Email : rahmanmunju@gmail.com

ব্লগ কি, ব্লগিং কাকে বলে এবং ব্লগিং করে আয়ের উল্লেখযোগ্য উপায়

<script data-ad-client="ca-pub-3292683791000356" async src="https://pagead2.googlesyndication.com/pagead/js/adsbygoogle.js"></script>

ব্লগিংয়ে আয়ের উপায় :

ব্লগিং করে আয় করতে চাইলে আগে জানতে হবে ব্লগ কি এবং ব্লগিং কাকে বলে ? আমার আগের পোষ্টে অবশ্য এ সম্পর্কে লিখেছি। যারা পড়েননি তারা এখানে জানতে পারবেন। ব্লগিং পেশা বেশ জনপ্রিয় পেশায় পরিনত হয়েছে। এখন অনেকেই এই কাজ করে ভাল একট ইনকাম করছে।ব্লগিং যারা শুরু করে তারা প্রথমে একটু সমস্যায় পড়েন। পরে তা আস্তে আস্তে সেরে উঠে একটা ভাল পর্যায়ে দাঁড়ায়  এবং মাসে মাসে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করেন।

Money Income


Money Income

ব্লগ কি : 

ব্লগ হচ্ছে দিনলিপি বা ডাইরি বা অলাইন পত্রিকা। ব্লগ এমন একটি ডাইরি যা থাকবে ইন্টারনেটে বা অনলাইনে।যেখানে আপনি আপনার অনুভূতি, মতামত, দৃষ্টিভঙ্গি বা যে কোন বিষয়ে আপনার জ্ঞান বা অভিজ্ঞতা সম্পর্কে লিখে রাখতে পারবেন। আরোও পরিস্কার করে বলা যায় যে, ব্লগ হচ্ছে অনলাইন ভিত্তিক পত্রিকা যেখানে আপনি প্রতিনিয়ত লিখে যেতে পারবেন  এবং অন্যদের সাথে তা শেয়ার করতে পারবেন।তারা আপনার ব্লগে মতামত দিতে পারবেন।

ব্লগিং কাকে বলে : 

ব্লগে লিখার কাজকে বলা হয়  ’ব্লগিং’। অর্থাৎ ব্লগে লেখা লেখি , আপনার অনুভূতি ও জ্ঞান শেয়ার করাই হলো ব্লগিং। যে সমস্ত ওয়েবসাইট এবং এপ্লিকেশনের মাধ্যমে একটি ব্লগ সাইট তৈরী করা যায় সেগুলোকে ব্লগিং প্লাটফর্ম বলা হয়। বিভিন্ন ব্লগিং প্লাটফর্ম আছে। বর্তমানে তাদের মধ্যে অন্যতম প্লাটফর্ম হলো গুগুলের ‘ব্লগার.কম’ এবং ’ওয়ার্ডপ্রেস’।এ দুই সাইটের মধ্যে যে কোন একটি সাইটে ব্লগিং করে আয় করতে পারেন।


ব্লগিং করে আয়ের উল্লেখযোগ্য উপায় :

ব্লগে লিখা বা ব্লগিং করা একটি স্বধীন পেশা । যে কেউ ব্লগিং করে আয় করতে পারে।তবে তাকে মুক্ত চিন্তার অধিকারী হতে হবে।ব্লগে যে সম্পর্কে লিখবেন বা যে বিষয়ে লিখবেন সে সম্পর্কে ব্যাপক জ্ঞান থাকতে হবে। তবেই সে ব্লগিং করে সফল হতে পারবেন। ব্লগিং করে আয়ের বিভিন্ন উপায় আছে। তবে তার মধ্যে উল্লেখযোগ্য বা অন্যতম উপায় গুলো নিয়ে আজ আলোচানা করব।

১. গুগুল এডসেন্সের মাধ্যমে আয় :

গুগুল এডসেন্স থেকে আয় করতে হলে প্রথমে জানতে হবে এডসেন্স কি। এডসেন্স হলো বিশ্বের সবচেয়ে জনপ্রিয় আ্যডভারটাইজিং মাধ্যম। যার মাধ্যমে আপনি আপনার ব্লগে বিজ্ঞাপন দিয়ে টাকা আয় করতে পারবেন।গুগুল এডসেন্স ব্লগারদের বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং তার বিজ্ঞাপনে ক্লিক পরলে তার বিনিময়ে ব্লগারদের টাকা প্রদান করে থাকে। একটি ব্লগ থেকে টাকা ইনকামের সবচেয়ে বড় এবং বহুল ব্যবহৃত মাধ্যম হচ্ছে গুগুল এডসেন্স। গুগুল এডসেন্স ‍বিভিন্ন ওয়েবসাইট, ভিডিও, মোবাইল আ্যাপ এবং ইউটিউব চ্যানেলের মাধ্যমে বিজ্ঞাপন প্রচার করে থাকে কিন্তু কিছু শর্ত আছে। শর্ত গুলো হলো :-
১. আপনার ব্লগের বয়স ৬ মাস হতে হবে। তবে ইউনিক হলে এক মাসেও এড পেতে পারেন।
২. আপনার ওয়েবসাইটে ৩০ থেকে ৩৫ টি ইউনিক আর্টিকেল পোষ্ট করতে হবে। তবে আপনার ওয়েবসাইটের সাথে মিল থাকতে হবে।
৩. আপনার ওয়েবসাইট ইউনিক হতে হবে। কপি পেষ্ট করা যাবে না।
৪. আপনার ওয়েবসাইটে অন্য কোন এড থাকলে তা সরে ফেলতে হবে।
৫. আপনার ওয়েবসাইট Adult / Hacking  রিলেটেড হওয়া যাবে ন।
৬. হোম পেজ / লিডিং পেজ সিম্পল হতে হবে। সাইড লোডিং ৩ সেকেন্ডের মধ্যে রাখুন।
৭. আ্যডসেন্স কোড আপনার সাইটে সঠিক ভাবে বসান।
৮. টপ লেভেলের ডোমেন লাগবে। যেমন: .com, .net, .org ইত্যাদি। সাব ডোমেন হবে না।
৯. সাইটে গুরুত্ব পূর্ন পেজ - Contact us, About us, Privacy পেজ থাকতে হবে।
১০. আপনার সাইটের সকল পেজ ইনডেক্স করুন, এস ই ও  ফ্রেন্ডলি করুন এবং ইউনিক ভিজিটর বাড়ান।

উপরোক্ত এ সকল শর্ত মেনে আ্যডসেন্সে আবেদন করলে সাধারনত: ৭ থেকে ১০ দিনের মধ্যে আপনার ব্লগ সাইট এপ্রুভ হবে। এপ্রুভ হলে কোডটি সঠিক স্থানে বসান। তারপর আপনার ইনকাম শুরু হবে ইনশাল্লাহ।

ব্লগ তৈরী সম্পর্কে জানতে চাইলে ক্লিক করুন

২. আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় :

আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং হচ্ছে নিজের কোন ওয়েবসাইট, ব্লগসাইট, ফেসবুক পেজ, ইউটিউব চ্যানেল ইত্যাদির মাধমে অন্য কোন কোম্পানী বা প্রতিষ্ঠানের পন্যের প্রচারনা বা প্রমোট করে পন্য বিক্রয়ের বিনিময়ে যে কমিশন পাওয়া যায় তাকে আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং বলে।আপনি যদি আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চান তাহলে আপনার নিজস্ব ওয়েবসাইট বা ব্লগসাইটের মাধ্যমে যত  গুলো পন্য বিক্রয় হবে তার একটি নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন।সুতরাং আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং করতে চাইলে আ্যফিলিয়েট প্রোগাম সাইটে রেজিষ্ট্রেশন হবে এবং বিক্রয়ের জন্য তাদের পন্য নির্ধারন করতে হবে। কোম্পানী গুলো অনুমোদিত কোডারকে একটি অনন্য কোড প্রদান করে থাকে। যা তারা তাদের টার্গেটেড পেজে বসিয়ে দেন। সেই কোড ধরে যখন কোন পন্য বিক্রয় হবে, সেখান থেকে একটা নির্দিষ্ট পরিমান কমিশন পাবেন।সহজ কথায় বলা যায়, আ্যফিলিয়েট হচ্ছে কোন কোম্পানীর প্রোডাক্ট সেল করে দেয়ার বিনিময়ে যে কমিশন পান তাকে আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং বলে। আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং এর জন্য বিভিন্ন কোম্পানী আছে যেমন: আমাজান, আলিবাবা, থিমফরেষ্ট, ইবাই ইত্যাদি সহ প্রায় বড় বড় কোম্পানী তাদের পন্য বিক্রয়ের জন্য কমিশন প্রদান করে থাকে।সবচেয়ে বড় এবং জনপ্রিয় কোম্পানী হচ্ছে আমাজান আ্যফিলিয়েট।


আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং বা প্রোমোট করার জন্য বিভিন্ন মাধ্যম রয়েছে। তাদের মধ্যে উল্লেখযোগ্য হলো ওয়েবসাইট, ব্লগসাইট, ইউটিউব চ্যানেল, সোসাল মিডিয়া সাইট ইত্যাদি।আ্যফিলিয়েট মার্কেটিংয়ের জন্য তিনটি জিনিসের প্রতি খেয়াল রাখতে হবে। তা হলো সময়, কৌশল এবং বিনিয়োগ।আফিলিয়েট মার্কেটিং করতে গেলে অনেক জেনে শুনে কাজ শুরু করতে হবে। কোন প্রডাক্ট বাছাই করব, কেন বাছাই করব, কিভাবে টার্গেটেড ট্রাফিকের নিকট উপাস্থাপন করব, কিভাবে প্রোমট করবো ইত্যাদি চিন্তা ভাবনা করে মার্কেটিং করতে হবে।এছাড়া ৫টি বিষয়ের প্রতি গুরুত্ব দিতে হবে। নিশ বাছাই, প্রোডাক্ট বাছাই করা, ‍seo করা, সুন্দর কন্টেন্ট তৈরী করে ভিজিটন আনা, আ্যাফিলিয়েট প্রোডাক্ট প্রমোট করা। তবেই কাংখিত আয় আসা সম্ভব।

বর্তমানে আ্যফিলিয়েট মার্কেটিং বেশ জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। এখন আর আমাজান বা আলীবাবা এই রকম বড় বড় ই-কমার্স সাইটের উপর নির্ভর করতে হবে না।বর্তমানে বাংলাদেশেও ই-কমার্স ওয়েরসাইট গুলো আ্যফিলিয়েট প্রোগ্রাম সেবা দেয়া শুরু করেছে।তেমন একটি ই-কমার্স সাইট হলো BD SHOP.COM. আপনারা হয়তো অনেকেই এই সাইট সম্পর্কে জেনে থাকবেন। BD SHOP.COM হলো বাংলাদেশে একটি জনপ্রিয় ওয়েবসাইট। তারা সাধারনত: বিভিন্ন টেকনোলজি বিষয়ক পন্য বিক্রি করে থাকে। আপনি চাইলে খুব সহজেই BD SHOP.COM  থেকে আ্যাফিলিয়েট লিংক নিয়ে আপনার ব্লগ সাইটে বসিয়ে প্রমোট করতে পারেন।সেই লিংক থেকে যদি কেউ পন্য ক্রয় করে তাহলে সেই লভ্যাংশ থেকে একটা কমিশন পাবেন। তাই বিডি সপ.কম ওয়েবসাইটে রেজিষ্ট্রেশন করে সহজে লিংক নিয়ে আপনার ব্লগ সাইটে বসিয়ে আয় করতে পারেন।



৩. নিজের বিজিনিস প্রমোটের মাধ্যমে আয় :

আপনার ব্লগে ভাল ভাল কন্টেন্ট লিখুন। এই ভাল ভাল কন্টেন্ট গলো পড়ার জন্য ভিজিটর আসবে।যখন আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমান ভিজিটর আসা শুরু করবে, তখন আপনি নিজের উৎপাদিত পন্য নিজের ব্লগে প্রমোট করে আয় করতে পারেন। যদি আপনার নিজের ব্লগ থাকে তাহলে আপনার অনেক মানুষ আছে হাতের নাগালে। অর্থাৎ অনেক মানুষ আপনার ব্লগে আর্টিকেল পড়ার জন্য প্রতিদিন আসছে।আপনি চাইলে এই ভিজিটরদের কাজে লাগিয়ে আপনার বিজিনিস বিল্ড করতে পারেন। আপনার কন্টেন্টের পাশে আপনার পন্যের এড দিতে পারেন এবং সেখান থেকে আপনার পন্য বিক্রয় করে আয় করতে পারেন।এতে কিন্তু আপনার আর কোন কাষ্টমার খুজে বের করতে হবে না। আপনার ব্লগের ভিজিটররা হবে আপনার কাষ্টমার। এ ভাবে আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন।

৪. ই-মেইল মার্কেটিং এর মাধ্যমে আয় :

আপনি চাইলে আপনার ব্লগে ইমেইল মার্কেটিং করে আয় করতে পারেন।এর জন্য আপনার ব্লগে ইমেইল ভেরিফিকেশন অফশন বসাতে হবে।যখন আপনার ব্লগে ভিজিটররা প্রবেশ করবে তখন ভেরিফিকেশন অপশনটি তাদের ইমেইল ভেরিফিকেশন করবে এবং সেই ইমেইল গুলো কালেক্ট করবে।কালেক্টকৃত ইমেইল গুলো কাজে ব্যবহার করতে পারেন।এই ইমেইল গুলোতে বিভিন্ন সার্ভিস পাঠাতে পারেন বা এই ইমেইল গুলো বিভিন্ন সার্ভিস প্রভাইডারদের কাছে বিক্রি করে আয় করতে পারেন। এই ইমেইল মার্কেটিং করে আপনার ব্লগ থেকে ভাল আয় আসতে পারে।

৫.নিজেন স্কিল বিক্রির মাধ্যমে আয় :

আপনি চাইলে আপনার ব্লগ থেকে নিজের স্কিল বিক্রি করে আয় করতে পারেন।সেটা কিভাবে ? সেটা হচ্ছে আপনার দক্ষতা কাজে লাগিয়ে।আপনার যদি কোন  কাজে ভাল দক্ষতা থাকে তা আপনার ভিজিটরদের জানান। আপনার ব্লগে যখন প্রচুর ভিজিটর আসবে তখন আপনার ভিজিটররা আপনার সম্পর্কে জানতে চেষ্টা করবে।তখন তারা আপনার ব্লগের About us পেজে ঢুকে আপনার সম্পর্কে জানার চেষ্টা করবে।তখন তারা যদি জানতে পারে আপনি এই এই কাজে দক্ষ, তখন তাদের মধ্যে থেকে যে যে সেই কাজের জন্য কাউকে খুজতে ছিল তারা কিন্তু আপনার সাথে কন্টাক্ট করতে চাইবে এবং আপনার দ্বরা সেই কাজটি করাতে চাইবে। এভাবে আপনার নিজের স্কিলের মাধ্যমে তাদের কাজ গুলি করিয়ে দিয়ে আপনার ব্লগ থেকে আয় করতে পারেন। তাতেও মোটামুট একট ভাল আয় আসা সম্ভব।

 ৬. সরাসরি বিজ্ঞাপন প্রচারের মাধ্যমে আয় :

ব্লগ থেকে টাকা রোজগারের খুবই চালু উপায় হলো কোন কোম্পানীর সাথে সরাসরি কথা বলে তাদের বিজ্ঞাপন ব্লগে দেওয়া। এতে এড নেটওয়ার্ক ছাড়াই বিজ্ঞাপন দিতে পারছেন এবং সহজে আয় করতে পারবেন। ব্লগে কিভাবে কাজ করে আপনি বিজ্ঞাপনটি প্রকাশ করবেন। যখন কেউ সে বিজ্ঞাপন ক্লিক করবে তখন টাকা আয় হবে।আমরা সাপ্তাহিক মূল্য নির্ধারন করে দিতে পারি, সেখানে পাঠকের ক্লিক করার উপর নির্ভর করতে হবে না।
ব্লগের কোন জায়গায় বিজ্ঞাপন দিতে চান ঠিক করুন। হেডারে, ফুটারে, সাইডবারে না লেখার মাঝ খানে সে জায়গা ঠিক করুন।আপনার বিজ্ঞাপন দেওয়ার জন্য কি করতে হবে তার বিবরনী দিয়ে একটি পাতা তৈরী করুন। সেখানে লিখুন আপনার পাঠক কারা, আপনি কি বিষয়ে লিখেন এবং আপনার ব্লগের বিজ্ঞাপনের মূল্য কত,বিভিন্ন জায়গার জন্য বিভিন্ন মুল্য নির্ধারন করতে পারেন।যেমন: হেডারে বেশী, লেখার মাঝ খানে কম এভাবে। আপনার ফোন নম্বার, ইমেইল আইডি উল্লেখ করুন।
মনিটাইজেশনের জন্য নেটওয়ার্কে নিজের ব্লগকে নথিভূক্ত করুন।এই নেটওয়ার্কের মাধ্যমে আপনি অনেক বিজ্ঞাপন দাতা সংস্থার কাছে পৌছতে পারবেন। Buy sell Ads এরকম একটি জনপ্রিয় নেটওয়ার্ক।
ব্লগে যে জায়গায় আপনি বিজ্ঞাপন দিতে চান সেখানে বক্স করে লিখুন “এখানে বিজ্ঞাপন দিন”। এটি বিজ্ঞাপন দাতার দৃষ্টি আকর্ষন করবে। অনেক সময় বিজ্ঞাপন দাতা মূল্যের বিষয়টি আলোচানা মাধ্যমে স্থির করতে চায়, সে সুযোগ রাখুন।মূল্যের বিষয় সহমতে এলে বিজ্ঞাপন প্রকাশ করুন এবং আয় করুন।

সর্বপরি কথা হচ্ছে ব্লগিং পেশা একটি স্বাধীন পেশা। আপনি চাইলে যখন ইচ্ছা ব্লগে কাজ করতে পারেন।ব্লগে লেখে অনেকে হাজার হাজার টাকা ইনকাম করছে। আপনিও চাইলে পারবেন। সাহস করে শুরু করুন।  একদিন সফল হবেন ইনশাল্লাহ।

Post a Comment

0 Comments