শিক্ষা ঐক্য প্রগতি


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড

Email : rahmanmunju@gmail.com

header ads
                                                                ‘প্রিয় বাংলাদেশ’                                                                   

ই-কমার্স এবং ই-কমার্সে সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায়

ই-কমার্স ঃ 

ই-কমার্স মানে ইলেকট্রনিক কমার্স। ই-কমার্স হচ্ছে - ইন্টারনেট ব্যবহার করে পন্য ক্রয়-বিক্রয়, অর্থ লেন-দেন ও তথ্য আদান প্রদান করাকে ই-কমার্স বলে।ইমেইল, ফ্যাক্স, অনলাইন ক্যাটালগ, ইলেকট্রনিক ডাটা, ওয়েবসাইট, বা অনলাইন সার্ভিস ইত্যাদির মাধ্যমে যা মোবাইল এবং কম্পিটারে প্রক্রিয়া সম্পন্ন করা হয়। ই-কমার্স সাধারনত: ৪টি পদ্ধতিতে হয়ে থাকে ১. ব্যবসা থেকে ব্যবসা ( B 2 B) ২. ব্যবসা থেকে ভোক্তা ( B 2 C) ৩. ভোক্তা থেকে ব্যবসা ( C 2 B ) ৪. ভোক্তা থেকে ভোক্তা ( C 2 C ) এর মাধ্যমে। সহজ ভাবে বলা যায়, ইন্টারনেট বা অনলাইনের মাধ্যমে পন্য কেনা-বেচা বা ব্যবসায়িক কার্যক্রম পরিচালনা করাই হলো ই-কমার্স।

E- commerce uddokta
E- commerce uddokta


ই-কমার্স ব্যবসা যে ভাবে সম্পূন্ন হয় ঃ

ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য প্রথমে প্রয়োজন একটি ওয়েবসাইট বা ব্লগ সাইট।এই ওয়েব সাইটের মাধ্যমে আপনার ব্যবসার পন্যের প্রমোট করতে হয় এবং এর জন্য আপনাকে একটি টপ লেভেলের ওয়েব সাইট তৈরী করতে হবে। আপনি নিজে পারলে ভাল না হলে একজন ওয়েব ডেভলপারকে দিয়ে ভাল একটি ই-কমার্স সাইট তৈরী করে নিতে হবে।এই ই-কমার্স সাইটে বিভিন্ন দেশীয় ও আন্তর্জাতিক পন্যের বিবরন বিশদ ভাবে দেওয়া থাকবে। পন্যের নাম, মান, দাম ইত্যাদি বিবরনসহ উল্লেখ থাকবে।গ্রাহক পন্যের ছবিতে ক্লিক করলে সবকিছু স্পস্ট দেখতে পারবে। একটি নির্দিষ্ট প্রক্রিয়ায় ক্রেতা তার কাংখিত পন্যের অর্ডার করতে পারবেন।সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠান তাদের সার্ভিসের মাধ্যমে ক্রেতার বাড়ীতে পন্যটি পৌঁছে দিবেন। এই প্রক্রিয়ায় কিছু ই-কমার্স সাইট অর্ডার করার সাথে সাথেই কাস্টমারের ক্রেডিটকার্ডের মাধ্যমে পন্যের মূল্য নিয়ে নেন। আবার কিছু কিছু সাইট আছে ক্রেতার হাতে পন্য পৌঁছে দেওয়ার পর মূল্য নেন। আবার হোম ডেলিভারীর ক্ষেত্রে কোন কোন সাইট সার্ভিজ চার্জ হিসাবে অতিরিক্ত ফি নেয়। কোন কোন সাইট ফি নেন না।এ বিষয়টি পুরাপুরি সেবাদানকারী প্রতিষ্ঠানের উপর নির্ভর করে থাকে।

ই-কমার্স ব্যবসার জন্য অত্যাবশ্যক ঃ

বর্তমানে বিশ্বে ই-কমার্স ব্যবসা উত্তর উত্তর বৃদ্ধি পাচ্ছে।এর পিছনে অবদান রয়েছে বিশ্বায়নের।আর এই বিশ্বায়নের পিছনে অবদান রয়েছে ইন্টারনেটের।আর এই ইন্টারনেটের মাধ্যমে ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালিত হয়ে থাকে।সবচেয়ে বড় কথা হলো ই-কমার্স ব্যবসায় পুঁজি কম লাগে।ইচ্ছা শক্তি, সৃজনশীলতা ও পরিশ্রমই হলো ই-কমার্স ব্যবসার সবচেয়ে বড় পুঁজি।এই ব্যবসা পরিচালনা করার জন্য অনেক মাধ্যমের প্রয়োজন হয়। ব্যবসায়ী, খুচরা বিক্রেতা, সেবাদাতা, ব্যাংক, নীতি নির্ধারক, পেমেন্ট প্রসেসর এবং সর্বোপরি ক্রেতা বা ভোক্তাদের ই-কমার্সের মাধ্যম হিসাবে গন্য করা হয়।এ সব মাধ্যমকে এক প্লাটফর্মে এনে পন্যের বিনিময়ে আর্থিক লেনদেন কার্যক্রম পরিচালনাই হচ্ছে ই-কমার্স। ই-কমার্স ব্যবসা পরিচালনা জন্য পরিকল্পনা প্রনয়ন করতে হবে।পরিকল্পনায় কৌশলগত যে সব বিষয় অন্তর্ভূক্ত করতে হবে তা হলো - 

১. ওয়েব সাইট তৈরী কারা।
২. সার্চ ইন্জিন অপটিমাইস বা এস ই ও কারা।
৩. প্রোডাক্ট বা কন্টেন্ট মার্কেটিং করা্।
৪. ই-কমার্স প্রতিষ্ঠানের ব্রান্ডিং করা।
৫. প্রচার মাধ্যমের সহায়তা গ্রহন করা।
৬. ছবি তোলা, অডিও, ভিডিও করে আপলোড করা।
৭. বিজ্ঞাপন দেওয়া।
৮. পন্যটি সম্পর্কে আকর্ষনীয় শিরোনাম এবং বিস্তারিত বিবরন দেয়া।
৯. পন্য পরিবহন ব্যবস্থা করা।
১০. পেমেন্ট মাধ্যম হিসাবে ব্যাংক এবং মোবাইল ব্যাংকিং ব্যবস্থা চালু করা।

সফল উদ্যোক্তা হওয়ার উপায় ঃ

ই-কমার্স ব্যবসা একটি চ্যালিন্জিং ব্যবসা। ই-কমার্স ব্যবসায় পন্যের মান নিশ্চিত করা সব থেকে গুরুত্বপূর্ন বিষয়।আপনি যদি ভালমানের পন্য সরবরাহ করেন তাহলে আপনার ক্রেতাদের মধ্যে আপনার গ্রহনযোগ্যতা বাড়বে।এছাড়া পন্য সরবরাহ ও মূল্য পরিশোধ প্রক্রিয়ায় যথেষ্ট খেয়ালী হতে হবে।প্রতিনিয়ত প্রচার এবং প্রসারের মাধ্যমে আপনার ই-কমার্স ব্যবসাটি জনপ্রিয় করে তোলার প্রচেষ্টা করতে হবে।একজন সফল উদ্যোক্তা হতে চাইলে নিচের এই কাজ গুলো অনুসরন করতে হবে।


১. ই-কমার্স ব্যবসার পরিকল্পনা করা ঃ

প্রথমেই বলে রাখছি ই-কমার্স ব্যবসা বড় কঠিনএবং চ্যালেন্জিং ব্যবসা।এখানে আপনি সঠিক ভাবে পরিকল্পনা করে পা বাড়াতে হবে।আপনি যে বিষয়ে ভাল জানেন তা নিয়ে শুরু করতে পারেন। আপনার শখ বা যে বিষয়ে আপনার বেশী আগ্রহ আছে সেই বিষয় নির্বাচন করতে পারেন।যদি মাথায় কিছু না আসে তাহলে বিভিন্ন ধরনের সাইটে ব্রাউজ করে দেখে তা থেকে আইডিয়া নিতে পারেন।ই-কমার্স ব্যবসার ক্ষেত্রে সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো পন্য নির্বাচন করা।এক্ষেত্রে একটি কার্যকরি মার্কেট রিচার্স করে নিশ পন্য নির্বাচন করুন যার চাহিদা মার্কেটে ব্যাপক রয়েছে।এখানে আরেকটি জিনিস লক্ষনীয়। যদি আপনি কাউকে অংশীদার করতে চান, সেক্ষেত্রে নির্ভরযোগ্য ব্যক্তিকে বাছাই করুন।যে পন্য উৎপাদন, সংগ্রহ, শিপিং ইত্যাদি বিষয় গুলো পরিচালনায় সুদক্ষ। অর্থাৎ অত্যন্ত দক্ষতার সাথে হ্যান্ডেলিং করতে পারবেন।এতে করে আপনি চলমান ব্যবসা পরিচালনায় মনোযোগী হতে পারবেন এবং সফলতার দাঁড় প্রান্তে পৌঁছতে পারবেন।


২. ব্যবসার মূলধন ঃ

ব্যবসা ছোট বড় যাই হোক মূলধন থাকতে হবে।তবে ই-কমার্স ব্যবসায় মূলধন তুলনামুলক কম লাগে। মার্কেট সম্পর্কে মোটামুটি ধারনার পর ক্যাশের প্রতি মনোযোগ দিন।অযথা বিভিন্ন ক্ষেত্রে বিনিয়োগ না করে পরিকল্পনা মাফিক বিনিয়োগ করুন এবং ক্ষেত্র বিশেষে অনেকটা মিতব্যয়ী হতে হবে। আপনি চাইলে আপনার কোম্পানীর নামে একটি ব্যাংক একাইন্ট খুলতে পারেন। সেখান থেকে আপনার ব্যবসার সকল ট্রান্জেকশন হবে। এছাড়া আয় ব্যয়ের সবকিছু  নিখুত হিসাবের ব্যবস্থা করতে হবে যাতে করে বছর শেষে আপনার কোম্পানীর প্রফেট সম্পর্কে জানতে পারবেন।মূল কথা হলো আপনার মূলধন সঠিক ভাবে ইউটিলাইজড করতে হবে তবেই মুনাফা আসা সম্ভব।


৩. টার্গেটেড মার্কেট নির্ধারন করা ঃ

ই-কমার্স উন্নতি করতে হলে নির্দিষ্ট একটি টার্গেট নিয়ে কাজ করতে হবে।অনলাইন ব্যবসায় টার্গেট মার্কেটিং একটি জনপ্রিয় ধারনা। ভালো একটি নিশ বা বিষয়কে টার্গেট করে এগতে হবে।শুরুতেই বড় কোন মার্কেটে পা দিবেন না।তাতে হোচট খেতে পারেন। ছিটকে পড়ে যাওয়ার সম্ভাবনা থাকে। তাই প্রথমে মার্কেটের সবচেয়ে প্রয়োজনীয়  এবং অন্যতম বিষয়টির দিকে নজর দিন।মার্কেটিং এর ভাষায় কথা বলুন এবং ভোক্তার মনোযোগ আকর্ষন করুন।কোম্পানী ছোট আর বড়ই হোক নিজেদের একটি স্লোগান তৈরী করে নিন। সুতরাং একটি নির্দিষ্ট বিষয় বা পন্য নিয়ে মার্কেটিং শুরু করুন সফল হবেন ইনশাল্লাহ।


৪. মার্কেট বা বাজার গবেষনা করা ঃ

প্রথমে আপনার ব্যবসার ধরন ও বাজারে তার চাহিদা কতটুকু তা নিরুপন করুন। বাজার গবেষনা করে ব্যবসা শুরু করলে এবং ব্যবসায়িক গুনগুলো ধরে রাখলে সফল ব্যবসায়ী হওয়া সম্ভব, তা না হলে সফল হবার সম্ভাবনা কম।একজন উদ্যোক্তা হিসাবে সর্ব প্রথম বিবেচ্য বিষয় হলো মার্কেট প্লেস বা বাজার গবেষনা করা। সেখানে আপনি আপনার প্রোডাক্ট বা সেবা প্রদান করবেন। আপনি যে প্রোডাক্ট বা সেবা বাজারজাত করবেন সে প্রোডাক্ট বা সেবা বাজারে চাহিদা কেমন এবং আপনার প্রতিযোগীদের হাল হাকিকত সম্পর্কে সুস্পষ্ট ধারনা গ্রহন করা্। তাদের ব্যবসায়িক কৌশল গুলো নিয়ে স্টাডি করুন। এতে আপনি যেমন মার্কেট সম্পর্কে ধারনা পাবেন, তেমনি ছোট খোট দুর্বলতা খুজে পেতে পারেন। সেখান থেকে শিক্ষা নিয়ে নতুন উদ্যোমে এগতে পারবেন। তাতে সফলতা আসা সম্ভব।


৫. উপযুক্ত পন্য নির্বাচন করা ঃ

ই-কমার্স ব্যবসায় পন্য নির্বাচন একটি বড় ফ্যাক্টর। তাই যে সব পন্যের চাহিদা বাজারে ব্যাপক সে সব পন্য নির্বাচন করুন।প্রতিটি পন্যের ছবি, পন্যের গুনাগুনের বর্ননা, পন্যের মূল্য নির্ধারন করে দিন।পন্য সামগ্রী ক্রয় বিক্রয়ের জন্য একটি বিপনন পরিকল্পনা প্রনয়ন করুন। কারন পন্যের বিপনন কৌশলের উপর ই-কমার্সের সাফল্য অনেকাংশ নির্ভরশীল।বিপনন পরিকল্পনা বিভিন্ন ভাবে করা যেতে পারে যেমন- গ্রাহক নিবন্ধন, পন্য উৎপাদনকারী নিবন্ধন, ক্রেডিটকার্ড ও মোবাইল, বিপনন টিম ইত্যাদির মাধ্যমে বিপনন করা যেতে পারে।


৬. ব্যবসার নাম পছন্দ করা ঃ

ব্যবসার নাম পছন্দ একটি বড় ফ্যাক্টর। নামটি হতে হবে ছোট এবং ইউনিক। ব্যবসা শুরু করার আগে একটি নাম নির্বাচন করুন। এমন নাম পছন্দ করুন যে নাম দিয়ে আপনার ব্যবসার ধরন সম্পর্কে খুব সহজেই একটা ধারনা লাভ করা যায়। এমন নাম ঠিক করবেন না যা ব্যবসার সাথে সম্পর্কিত নয়।এমন নাম ঠিক করুন যা সহজেই মনে গেঁথে যায় এবং চট করে মনে আসা সম্ভব। পারলে সাথে একটা মনোগ্রাম দিন। এতে সহজেই ব্যবসার পরিচিতি লাভ করবে।


৭. আকর্ষনীয় ওয়েব সাইট তৈরী করা ঃ

ই-কমার্সে একজন সফল উদ্যোক্তা হতে গেলে প্রথমে একটি আকর্ষনীয় ওয়েব সাইট তৈরী করতে হবে। যেহেতু মানুষ এখন ঘরে বসে শপিং করতে পছন্দ করে সেজন্য একটি আসর্ষনীয় ও সুন্দর ওয়েব সাইট তৈরী করতে হবে।একটি সুন্দর ও তথ্যবহুল সাইট ক্রেতা ধরে রাখতে সাহায্য করে। যদি সাইট তৈরীর ক্ষেত্রে আপনি নিজের উপর আস্থা না রাখতে পারেন, সে ক্ষেত্রে আপনি কোন বিশ্বস্থ বা দক্ষ ওয়েব ডিজাইনার দিয়ে সাইট তৈরী এবং কাস্টমাইজ করে নিতে পারেন।এতে আপনার সাইটকে বেশ পেশাদার করে তুলতে সহায়তা করবে। আরেকটি গুরুত্বপূর্ন বিষয় হলো ব্যবসায়ের সাথে প্রাসঙ্গিক ও কার্যকরী কন্টেন্ট তৈরী করতে হবে যাতে করে টাগেটেড কাষ্টমার বুঝতে পারে আপনার প্রোডাক্ট কি, প্রোডাক্টের উপকারিতা বা গুনাগত মান ইত্যাদি সম্পর্কে পরিস্কার ধারনা নিতে পারে।ওয়েব সাইট তৈরী করতে যে বিষয় গুলো গুরুত্বপূর্ন তা হলো - ডোমেন নেম পছন্দ করা এবং একটি ডোমেন ও হোস্টেং ক্রয় করতে হবে।ওয়েব সাইট তৈরী করতে একটি প্লাটফর্ম নির্ধারন করা এবং ওয়েবসাইট তৈরী করা সহ নিরাপত্তা বিধান করা।ওয়েব সাইট যেন এস ই ও বান্ধব হয় সেদিকে লক্ষ্য রাখতে হবে।


৮. প্রফেশনাল কন্টেন্ট তৈরী করা ঃ

ই-কমার্স ব্যবসায় বড় হাতিয়ার হলো ভালমানের কন্টেন্ট তৈরী করা। আর আধুনিক ব্যবসায় কন্টেন্টকে বলা হয় ’রাজা’। পন্য কেনার ব্যাপারে ক্রেতারা অত্যন্ত সচেতন। আর অনলাইনে পন্য কেনার ব্যাপারে তো আরো বেশী সচেতন। আপনার পন্যে মান, গুনাগুন, শেপ যতই ভাল হোক না কেন কিন্তু একটি ভালমানের কন্টেন্টের অভাবে আপনি ক্রেতা হারাবেন। এক্ষেত্রে আপনার প্রতিদ্বন্দ্বী কোম্পানী গুলো ভাল মানের কন্টেন্টের মাধ্যমে ক্রেতাকে আকৃষ্ট করে বেশী লাভবান হতে পারেন। যেহেতু কন্টেন্ট হলো ব্যবসায়ের প্রান। সে জন্য প্রতিটি কন্টেন্ট পুঙ্খানুপঙ্খ ভাবে বিশ্লেশন করা জরুরী  


৯. সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিং বা প্রচার করা ঃ

আপনার পন্য সম্পর্কে সোসাল মিডিয়া এবং ট্রেডিশনাল মিডিয়ায় প্রচার করতে হবে।ট্রেডিশনাল মিডিয়া যেমন- রেডিও, টি ভি, সংবাদ পত্র, ম্যাগাজিন ইত্যাদি এবং সোসাল মিডিয়া যেমন- ফেসবুক, টুইটার, লিংদিন, ইনস্টগ্রাম ইত্যাদি মিডিয়াতে মার্কেটিং এবং প্রচার করতে হবে।সোসাল মিডিয়ায় মার্কেটিং এর জন্য উপযুক্ত জায়গা হলো ফেসবুক। এখানে যেভাবে মার্কেটিং করবেন।

  • আপনার সাইটের নামে ফেসবুকে একটা ফ্যান পেইজ খুলতে পারেন এবং নিয়মিত পন্যের আপডেট ছবিগুলো আপডেট করে দিতে পারেন।
  • প্রত্যেকটি ছবির সাথে পন্যের বিবরন, মূল্য এবং লিংক দিয়ে দিন। যে লিংকে কাস্টমার পন্যের অর্ডার করতে পারবেন।
  • ভালো ভালো সাইটে ও সুপরিচিত সাইট গুলোতে আপনার সাইটের এড দিতে পারেন।
  • পন্য হাতে পাওয়ার পর কয়েকজন গ্রাহকের পন্য সহ ছবি আপলোড করে দিতে পারেন। এতে আপনার সাইটের বা ব্যবসার বিশ্বস্থতা বাড়বে।
  • একজন মার্কেটিং অফিসার নিয়োগ করুন, যে আপনার সাইটের প্রচারনার দায়িত্ব নিবে এবং নিয়মিত আপনাকে অগ্রগতি সম্পর্কে জানাবে।

আরো জানতে ক্লিক করুন

১০. ভোক্তাদের মতামত গ্রহন করা ঃ

ই-কমার্স ব্যবসায় ভোক্তা হলো ব্যবসা প্রান। তাই ভোক্তাদের মতামত প্রাধান্য ‍দিতে হবে।ভোক্তাদের মতামত জানতে হবে এবং সে অনুযায়ী পদক্ষেপ নিতে হবে।তবে দু’একটি সমালোচনায় কান দেওয়া যাবে না। কারন কোন ব্যবসায় ১০০% ইফিসিয়েট হয় না। তবে প্রোডাক্ট বা সেবায় যদি গুনগত পরিবর্তনে মতামত পান সেটা সাদরে গ্রহন করুন।

সর্বপরি কথা হচ্ছে ব্যবসায় সততা এবং ন্যায়পরায়নতা থাকা জরুরী। তাই প্রত্যেক সফল উদ্যোক্তাকে হতে হবে সৎ এবং কাজের প্রতি যত্নশীল। আপনি আপনার ভোক্তাদের প্রতি পরিবারের সদস্যদের মত যত্নশীল হন।তবে মতামতের প্রতি গুরুত্ব দিবেন।মনে রাখবেন তারাই আপনার ব্যবসার প্রান।কথায় আছে না সততাই হল উৎকৃষ্ট পন্থা। তাই সততা, নায়পরায়নতা ও বিশ্বস্থতার সাথে আপনার ব্যবসা পরিচালনা করুন সফলতা আসবে, আসবেই ইনশাল্লাহ।

Post a Comment

0 Comments