শিক্ষা ঐক্য প্রগতি


শিক্ষাই জাতির মেরুদন্ড

Email : rahmanmunju@gmail.com

চলতি অর্থবছরে আরেক দফা এমপিওভুক্তি

প্রকাশিত: ২৪ নভেম্বর ২০১৯, ২২:১০ অনলাইন


চলতি অর্থবছরে বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান আরেক দফা এমপিওভুক্তি :

দীর্ঘ প্রতিক্ষার পর গত ২৩ অক্টোবর,২০১৯ ইং তারিখে  ২ হাজার ৭৩০ শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত ঘোষনা করেছেন প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা। তার এক মাস যেতে না যেতেই আবার নন এমপিও শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে বলে জানা গেছে। অর্থাৎ চলতি অর্থবছরে আরেক দফা এমপিওভুক্তি হবে।

চলতি অর্থবছরে আরেক দফা বেসরকারী শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করা হবে। তবে এর আগে ‘বেসরকারি শিক্ষা প্রাতিষ্ঠানের জনবল কাঠামো ও এমপিও নীতিমালা - ২০১৮’ সংশোধন করা হবে।শিক্ষা মন্ত্রণালয় সম্পর্কিত সংসদীয় স্থায়ী কমিটির বৈঠকে এ তথ্য জানানো হয়েছে। কমিটির পক্ষ থেকে নীতিমালা সংশোধনের কাজ দ্রুত শেষ করার তাগিদ দেয়া হয়েছে।



MPO

রোববার ( ২৪-১১-১৯) জাতীয় সংসদ ভবনে অনুষ্ঠিত ওই বৈঠকে সভাপতিত্ব করেন কমিটির সভাপতি ডঃ আফছারুল আমীন। বৈঠকে কমিটির সদস্য শিক্ষা উপমন্ত্রী মহিবুল হাসান চৌধুরী, আব্দুল কদ্দুস, ফজলে হোসেন বাদশা, আবদুস সোবহান মিয়া ও মাহী বদরুদ্দোজা চৌধুরীসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকতারা উপস্থিত ছিলেন।

বৈঠকে জানানো হয় ২০১৯ - ২০২০ অর্থবছরে স্বীকৃতিপ্রাপ্ত নতুন শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্তির লক্ষ্যে অর্থ বিভাগ থেকে ৮৬৫ কোটি টাকা বরাদ্দ পাওয়া গেছে।চলতি অর্থবছরে এ পর্যন্ত এক হাজার ৬৫৮ টি শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা হয়েছে।এ বাবদ বার্ষিক ব্যয় প্রায় ৪৫৬ কোটি ৩২ লক্ষ ১৮ হাজার টাকা। ওই ব্যয়ের পর আরো প্রায় ৪০৮ কোটি ৬৭ লক্ষ ৮১ হাজার টাকা অবশিষ্ট থাকবে।এ অবশিষ্ট অর্থ দিয়ে সংশোধিত নীতিমালার আলোকে যাচাই বাছাই করে চলতি অর্থবছরে আরো কিছু শিক্ষা প্রতিষ্ঠানকে এমপিওভুক্ত করা সম্ভব হবে।

বৈঠক সূত্রে জানা যায়, বৈঠকে একাধিক সদস্য এমপিওভুক্তির নীতিমালা নিয়ে  ক্ষোভ প্রকাশ করেন।তারা নীতিমালায় সংশোধনী আনারও পরামর্শ দেন। একাধিক সাংসদ নীতিমালায় বিভিন্ন ধরনের ত্রুটি আছে বলে অভিযোগ করেন। তাঁরা বলেন, আর্থ সামাজিক অবস্থা ও ভৌগোলিক অবস্থানের বিষয়টি নীতিমালায় জায়গা পায়নি। অনুন্নত অঞ্চল ও উন্নত অঞ্চলকে সঠিকভাবে বিবেচনায় নেওয়া হয়নি। একটি অবহেলিত, পশ্চাৎপদ এলাকার শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষার্থীসংখ্যা ও পাসের হার একটি উন্নত এলাকার শিক্ষা প্রতিষ্ঠানের মতো হবে না।নীতিমালার ত্রুটির কারনে কোন কোন এলাকার বেশি সংখ্যক শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত হয়েছে। আবার কোনো কোনো এলাকার কোনো শিক্ষা প্রতিষ্ঠানই এমপিওভুক্ত হয়নি।

কমিটি সূত্র জানা যায়, বিষয়টি নিয়ে আলোচনা শেষে বেসরকারি শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিও নীতিমালা সংশোধনে স্থায়ী কমিটির সদস্যদের মতামত ও সুপারিশ অন্তর্ভূক্তির সুপারিশ করা হয়।সংশোধিত নীতিমালার আলোকে সর্বোচ্চ সংখ্যক শিক্ষা প্রতিষ্ঠান এমপিওভুক্ত করার নির্দেশনা দেয়া হয়। এছাড়া বৈঠকে শিক্ষার গুনগত মান উন্নয়ন ও এসডিজি-৪ অর্জনের জন্য মন্ত্রণালয়ের গৃহীত পরিকল্পনা তুলে ধরা হয়।

Post a Comment

0 Comments